চিপস, চানাচুর, সস নাকি বিষ খাচ্ছি আমরা? ভিডিও

0
Loading...

বর্তমান ছোট ছোট ছেলেমেদের অন্যতম পছন্দের খাবার চিপস কিংবা চানাচুর। ছেলেমেয়েদের আবদার রাখতে গিয়ে অনেকটা বাধ্য হয়ে বাবা মায়েরা তাদের হাতে তুলে দেয় চিপস কিংবা চানাচুর। এইসব পন্য কেমন পরিবেশে বানানো হয় সেই দৃশ্য দেখলে হয়ত অনেক মা তাদের প্রিয় সন্তানের হাতে এই চিপসের প্যাকেট তুলে দিতেন না। চিপস এবং চানাচুরে একধরনের কৃত্রিম রং ব্যাবহার করা হয় যা বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। বিশেষ করে বাচ্চাদের কিডনি ফাংশন, জন্ডিস, লিভার ফাংশন এগুলো ক্ষতি হতে পারে। বাজারে ভেজালের ছড়াছড়ি আর নোংরা পরিবেশে প্রস্তুত খাবার খেয়ে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। খাবারের মান ঠিক থাকলে হয়ত এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হত না আমাদের কাউকেই। পন্যের মান ঠিক রাখতে সরকার তৈরি করেছে বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনিস্টিটিউশন সংক্ষেপে বিএসটিআই। ‍গুনগত মান পরীক্ষা নিরীক্ষার পর এই প্রতিষ্ঠান উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে পন্যের মানের সার্টিফিকেট দিয়ে দেয়। আমাদের আজকের প্রতিবেদন বিএসটিআই কে নিয়ে। প্রতিবেদনটি ইনভেস্টিগেশন ৩৬০ ডিগ্রি থেকে নেয়া।

চিপস, চানাচুর, সস নাকি বিষ

পন্যের মান ঠিক রাখতে আজ থেকে ৬১ বছর আগে ঢাকায় প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় সেন্ট্রাল টেস্টিং লিমিটেড বা সিটিএল । তার দশ বছর পর পাকিস্থান টেস্টিং ইনিষ্টিটিউট এর একটি শাখা খোলা হয়। তারও দশ বছর পর প্রতিষ্ঠানটির নাম বদলে বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড ইনিষ্টিটিউশন বা বিটিআই নামে চলতে থাকে। এরপর ১৯৮৫ সালে সিটিএল এবং বিটিএসআই যুক্ত করে নাম করা হয় বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনিষ্টিটিউশন বা সংক্ষেপে বিএসটিআই। সার্টিফিকেট দেবার পর সারাবছর তদারকি করার দ্বায়িত্বও এ প্রতিষ্ঠানেরই। অর্থাৎ ছাড়পত্র নেওয়ার পর কেউ খাবারে ভেজাল মেশালো কিনা সেটাও যাচাই করে দেখে বিএসটিআই। আর সে কাজের অংশ হিসেবে অনেক সময় মাঠে নামে বিএসটিআইর ভেজাল বিরোধী দল। কিন্তু কত প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালাবে ভ্রাম্যমান আদালত। কারন পরিসংখ্যান বলছে গত এক বছরে সারা দেশে বিএসটিআই ১১৭৮ টি ভ্রাম্যমান আদালত কাজ করেছে। অভিযান চালিয়েছে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার প্রতিষ্ঠানে। পরিসংখ্যান ব্যুরো সমীক্ষা বলছে দেশে খুচরা এবং পাইকারী দোকানের সংখ্যা এখন ৩৭ লাখের বেশি। এত অভিযান এত নিয়ম কানুনের পরও কিভাবে এসব ভেজাল খাবার বাজারে চলে সেটা কিন্তু আসলে ভাববার বিষয়। নতুন কোন পন্য বাজারে আনতে হলে অবশ্যই বিএসটিআই এর অনুমোদন লাগবে, অনুমোদনের পর বিএসটিআই প্রতিনিয়ত ওই প্রতিষ্ঠান নজরদারি করে।

Loading...

এখন প্রশ্ন হল বিএসটিআই এর মত নীতি নির্ধারক প্রতিষ্ঠান থাকার পরও কিভাবে এত ভেজাল, নিম্নমানের খাবার বাজারে চলে? এসব বিষয় বিএসটিআই কি অবগত নয়? নাকি শর্ষের ভেতরেই ভুত? কোন কোন খাবারে বেশী বিষ আছে, জানতে হলে প্রতিবেদনটির বিস্তারিত নিচের ভিডিওটিতে দেখুনঃ

Loading...

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন!
[X]
Loading...