শীতের শুরুতে আপনার আদরের সন্তানের বাড়তি যত্নে যা করনীয় ! - বিডি নিউ

শীতের শুরুতে আপনার আদরের সন্তানের বাড়তি যত্নে যা করনীয় !

0
Loading...

আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় বাচ্চারা একটু বেশি অসুস্থ হয়। তারা আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সাথে নিজেদের খাপ খাওয়াতে পারে না। কিন্তু এই সময় যদি মা একটু সচেতন হয়, নিয়ম মেনে বাচ্চার যত্ন নেয় তবে এমন হয় না। এই সময় বাচ্চাদের অসুখের মাঝে জ্বর,ঠান্ডা-কাশি,ডায়রিয়া বেশি হয়। আপনি যদি আপনার বাচ্চাকে শীতে সুস্থ রাখতে চান তবে কিছু নিয়ম দেখে নিন।

১। বাচ্চাকে প্রতিদিন গোসল করান। গোসল সময় ঠিক রাখুন। ১২-১ টার মাঝে গোসল করিয়ে দেবেন। গোসলের সময় যদি ঠিক থাকে তবে বাচ্চার ঠান্ডা জ্বর কম হয়।

Loading...

২।বাচ্চার হালকা ঠান্ডা লাগলেও তাকে গোসল করানো থেকে বিরত রাখবেন না। পানি হালকা গরম করে তাকে গোসল করিয়ে দেবেন। কারণ একদিন গোসল বাদ দিয়ে পর দিন গোসল করালে ঠান্ডা বেশি হয়।

৩।গোসলের আধা ঘন্টা আগে বাচ্চাকে সরিষার তেল মাখিয়ে রোদে ধরুন। তারপর গোসল করিয়ে দিন। গোসলের পানি রোদে দিয়ে গরম করবেন। গোসলের পর তাকে লোশন মাখান। লোশনের সাথে ২-৩ ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। এতে বাচ্চার ত্বক অনেক বেশি নরম হবে ও ফাঁটবে না।

৪।বাচ্চাকে ফিল্টারের পানি খাওয়ান।তার খাবার তালিকায় বেশি সবজি রাখুন।  শীতের সবজিতে আছে অনেক পুষ্টি,যা আপনার বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে। আপনার বাচ্চা থাকবে সুস্থ।

৫।প্রতিদিন সকালে ও ১/২ চা চামচ পানি+১/২ চা চামচ খাঁটি মৌচাকের মধু মিশিয়ে বাচ্চাকে খাওয়ান। মধু গরম জিনিস যা আপনার বাচ্চার শরীর গরম রাখবে ও তার ঠান্ডা লাগবে না। আপনি যদি তুলসি পাতা আর মধু খাওয়াতে পারেন তবে সেটা আরো বেশি ভাল কাজ করবে।

৬।আদা ও রসুন কুচি করে একটা বাটিতে নিন। এর মধ্যে বেশি করে সরিষার তেল দিন ও গরম করুন। রোজ রাতে এই সরিষা+আদা মিশ্রিত তেল বাচ্চার গায়ে মালিশ করুন।বাচ্চার ঠান্ডা লাগবে না।

৭।এই সময় বাচ্চাকে গরুর দুধ না দেওয়াটা ভাল কারণ গরুর দুধে বাচ্চাদের ঠান্ডা লাগে। রোজ সকালে আর রাতে বাচ্চাকে গরম গরম সিদ্ধ ডিম দিন। এটি বাচ্চার শরীর গরম করে,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮।বাচ্চার পোশেকের প্রতি সচেতন হোন। ঠান্ডা মনে হলে গরম পোশাক পরান। কিন্তু অকারণে গরম পোশাক পরাবেন না এতে বাচ্চা ঘেমে তার ঠান্ডা লাগতে পারে। বাচ্চাকে মাঝে মাঝে শিশু ডাক্তারের কাছে চেকআপ করতে নিয়ে যান। তিনি আপনাকে যা পরামর্শ দেবে সেটা মেনে চলুন।

এই সময় বাচ্চার বাড়তি যত্ন দরকার। তাই বাচ্চার প্রতি অবহেলা করবেন না। আপনার একটু অসচেতনতা আপনার বাচ্চার অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

Loading...

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন!
[X]
Loading...